কয়েক বছরের খরা ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে অস্ট্রেলিয়ার কিছু উল খামারি এ খাত ছাড়ার পথে ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে উলের ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে কৃষকদের উৎপাদনে আগ্রহ বেড়েছে। এতে দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। খবর অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশন।
অস্ট্রেলীয় উল শিল্পের ইস্টার্ন মার্কেট সূচক (ইএমআই) ১৯৮৭ সালের পর এবারই প্রথম টানা ১১ সপ্তাহ ধরে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রেখেছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, চীনের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে অস্ট্রেলীয় উলের দাম বাড়ছে। চীন বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ৮৫ শতাংশ উল আমদানি করছে, যা মূল্যবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি।
ব্রোকার ফার্ম এল্ডার্স ডাব্বোর জেলা উল ম্যানেজার লিন্ডসে ব্রাউন বলেন, ‘গত ১২-২৪ মাসে যারা খাতটিকে আঁকড়ে ছিলেন, তারা উপকৃত হবেন।’
তবে বাজার বিশ্লেষক ম্যাট ডালগ্লিশ সতর্ক বলেছেন, উল উৎপাদনে খরচ এখনো বেশি। যদিও এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ান উল নেটওয়ার্কের হ্যারল্ড ম্যান্টান জানান, নিলামে উলের দামে ঊর্ধ্বমুখিতা সামনের দিনগুলোয়ও বজায় থাকতে পারে। দক্ষিণ অঞ্চলের বাজারে দর কিঝুটা কমলেও সামগ্রিকভাবে ঊর্ধ্বমুখিতা বজায় রয়েছে।